বর্ণনা : আশরিক্যান শরীরে অক্সিজেন বৃদ্ধি করে, ক্যান্সার কোষকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে, এটি সেবনে প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে চললে ৩-৬ মাসে মধ্যে ডিজেনেক্টিভ যত ভয়ংকর রোগই হোক না কেন, ম্যাজিকের মত উধাও হয়ে যাবে। রক্ত পরিষ্কারক, প্রদাহ নাশক, দ্রাবক, বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ সাধারণ টিউমার এবং সিস্ট নিরাময়ে কার্যকরী।
উপাদানসমূহ :
প্রতি ৫ মি.লি. সিরাপ-এ আছে :
(জলীয় নির্যাস আকারে)
তুর্বুদ মুজাওয়াফ্ — ৫০ মি.গ্রা.
বর্গে ঝাউ — ৫০ মি.গ্রা.
বাদাওয়ার্দ — ৫০ মি.গ্রা.
বেখে কাতীলা — ৫০ মি.গ্রা.
আফ্সান্তীন — ৫০ মি.গ্রা.
বেখে এয্খর — ৫০ মি.গ্রা.
বেখে বাদিয়ান — ৫০ মি.গ্রা.
বেখে কাসনী — ৫০ মি.গ্রা.
তোখমে কাসনী — ৫০ মি.গ্রা.
চিরায়তা তল্খ — ৫০ মি.গ্রা.
গুলে মুন্ডী — ৫০ মি.গ্রা.
তোখমে কছূছ — ৫০ মি.গ্রা.
সুম্বুলুত্-তীব — ৫০ মি.গ্রা.
রেওয়ান্দ চীনী — ৫০ মি.গ্রা.
মাকো খুশ্ক — ৫০ মি.গ্রা.
গুলে সুর্খ — ৫০ মি.গ্রা.
তোখমে করফ্স — ৫০ মি.গ্রা.
তোখমে খরবূযা — ৫০ মি.গ্রা.
তোখমে খেয়ার — ৫০ মি.গ্রা.
গুলে গাফেছ — ৫০ মি.গ্রা.
তোখমে হালিয়ূন — ৫০ মি.গ্রা.
চূব যর্দ — ২৫ মি.গ্রা.
এবং অন্যান্য উপাদান প্রয়োজনমত
সূত্র : (শরবত তল্খ)
বাংলাদেশ জাতীয় ইউনানী ফর্মুলারী।
কার্যকারিতা :
⇒ ক্যান্সার কোষকে নিষ্ক্রিয় করে
⇒ রক্ত পরিষ্কারক
⇒ প্রদাহ নাশক
⇒ বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীন সাধারণ টিউমার ও সিস্ট নিরাময়ে কার্যকরী
সেবনবিধি :
প্রাপ্ত বয়স্ক : ২-৪ চা চামচ ২-৩ বার আহারের পর সেব্য।
অপ্রাপ্ত বয়স্ক : ১-২ চা চামচ ২-৩ বার আহারের পর অথবা রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য।
প্রতিনির্দেশ :
কোন প্রতিনির্দেশ নাই।
সর্তকতা :
শিশুদের নাগালের বাহিরে রাখুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া :
নির্ধারিত মাত্রায় সেবনে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় নাই।
সংরক্ষণ :
আলো থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে রাখুন।
Reviews
There are no reviews yet.